Sadhguru in Muscat
 - লাইভ ভিতরে 2দি : 21 : 53মি
মাটিঅনুষ্ঠানসমূহসমর্থকগণএই সম্বন্ধে
এখনই পদক্ষেপ নিন
Background

কনশাস প্ল্যানেট

কনশাস প্ল্যানেট হল মানুষের চেতনা জাগ্রত করার এবং অন্তর্ভুক্তির মনোভাব নিয়ে আসার একটি প্রচেষ্টা – যাতে করে আমাদের সমাজের বহুমুখী ক্রিয়াকলাপ একটি সচেতন প্রণালীতে পর্যবসিত হয়। এটি মানুষের কার্যকলাপকে পৃথিবীর অন্য সকল জীবন এবং প্রকৃতির সহায়ক করে তোলার একটি প্রচেষ্টা। আমাদের কাজ হলো এমন একটি পৃথিবী সৃষ্টি করা – যেখানে বিপুল সংখ্যক মানুষ সচেতনভাবে কাজ করবেন, সচেতনভাবে সরকার নির্বাচিত হবে এবং পরিবেশগত সমস্যাগুলি বিশ্বের নির্বাচনী ইস্তেহার হয়ে উঠবে।

আরও পড়ুন

মাটিকে বাঁচান আন্দোলন এর জন্য এভাবে কাজ করবে:

1

আমাদের মৃতপ্রায় মাটির দিকে বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করানো।

2

মাটির সুরক্ষা, লালনপালন ও মজবুত করার দিকে নিয়ে যাওয়ার নীতিকে সমর্থন করার জন্য প্রায় ৩৫০ কোটি মানুষকে (বিশ্বের ৫২৬ কোটি নির্বাচকমণ্ডলীর ৬০%) অনুপ্রাণিত করা।

3

মাটির জৈব উপাদান ন্যূনতম ৩-৬% পর্যন্ত বাড়ানো এবং বজায় রাখার দিকে ১৯৩টি দেশের জাতীয় নীতি পরিবর্তন করা।

Soil Revitalization - Global Policy Draft & Solutions Handbook

Read
policy
background
Sadhguru

সদগুরু

যোগী, অতীন্দ্রি়বাদী এবং দূরদর্শী, সদগুরু আমাদের সময়ের অন্যতম সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি। বিপুল ক্ষমতার অধিকারী আলোকপ্রাপ্ত গুরুদেব, যিনি কিছু সুবিপুল চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন, এমন কাজ যেটি একাধারে বৈচিত্র্যময় আবার সুদূরপ্রসারীও।

All his efforts, however, have always been towards just one goal: Raising Human Consciousness. Over the past four decades, Sadhguru has offered the technologies of well-being to millions of people across the world through his foundations, which are supported by over 16 million volunteers worldwide. Sadhguru has been conferred with three presidential awards among which are the Padma Vibhushan for distinguished service to the Nation and India’s highest environmental award, the Indira Gandhi Paryavaran Puraskar, in 2010.

আরও পড়ুন

মাটিকে বাঁচান: একটি আন্দোলন যা ২৪ বছর আগে শুরু হয়েছিল

আজ তিন দশক ধরে সদগুরু ক্রমাগত মাটির গুরুত্ব এবং মাটি বিলুপ্তির ভয়ঙ্কর ঝুঁকির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করানোর চেষ্টা করে আসছেন। তিনি বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক জনসভায় বারবার বলে আসছেন: "মাটি আমাদের জীবন, আমাদের নিজস্ব দেহ। এবং যদি আমরা মাটিকে ত্যাগ করি, তাহলে অনেক উপায়েই , আমরা গ্রহকেও পরিত্যাগ করবো।"

মাটিকে কে বাঁচাবে?

Tree

১৯৯০ এর দশক। গ্রামীণ তামিলনাড়ু। একদল মানুষ চোখ বন্ধ করে একটি বিস্তৃত উদার ঘনপাতার গাছের ছায়ায় বসেছিলেন। কিছুক্ষণ আগেই, তারা একটি খোলা জায়গায় বসে ছিলেন, গরমে শুকিয়ে গিয়েছিলেন এবং ঘামছিলেন, দক্ষিণ ভারতীয় সূর্যের সমস্ত তীব্রতাকে অনুভব করেছিলেন। এখন, প্রতিরক্ষামূলক সবুজ ছায়ায়, বয়ে চলা শীতল বাতাসের সাথে, তারা এর বাস্তবিক সারমর্ম এবং বড় বৃক্ষের আশীর্বাদকে বুঝতে পারছিলেন।

সদগুরু তাদের একটি অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন, যেখানে তারা প্রকৃতপক্ষে গাছের সাথে শ্বাস-প্রশ্বাসের আদান-প্রদানের অভিজ্ঞতা লাভ করেছিলেন, কার্বন ডাই অক্সাইড এর যে নিঃশ্বাস ছাড়া হয় তা গাছটি শ্বাস হিসাবে নেয়, এবং অক্সিজেন হিসাবে যে শ্বাস নে‌ওয়া হয় তা গাছ নিঃশ্বাস হিসাবে ছাড়ে। একটি অনুভবের প্রক্রিয়া দ্বারা তারা স্পষ্টভাবে দেখেছিলেন যে তাদের শ্বাসযন্ত্রের অর্ধেকটি বাইরে সেখানে ঝুলছে। সেই প্রথম দিনগুলি ছিল যখন সদগুরু সবেমাত্র গাছ লাগানো শুরু করেছিলেন – যাকে তিনি "সবচেয়ে কঠিন ভূখণ্ড – মানুষের মাথা" বলেছিলেন। সমস্তরকম জীবনের সাথে একতার এই প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতাটি উদ্যমী স্বেচ্ছাসেবকদের প্রথম দলটিকে জাগিয়ে তুলেছিল যারা আমাদের গ্রহকে পুনরুদ্ধার করার জন্য এই আন্দোলনের পথপ্রদর্শক।

যা ১৯৯০-এর দশকে কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে শুরু হয়েছিল বনশ্রীর (ভেলিয়ানগিরি পাহাড়কে সবুজায়ন করার লক্ষ্যে একটি পরিবেশ-অভিযান) আকারে – শীঘ্রই তা গ্রীনহ্যান্ডস প্রকল্পে (২০০০ এর প্রথম দশকে তামিলনাড়ু জুড়ে লক্ষ লক্ষ স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে একটি বিশাল রাজ্যব্যাপী অভিযান) পরিণত হয়েছিল। ২০১৭ সালে, যখন সদগুরু অবিশ্বাস্য নদী অভিযানের (Rally for Rivers) নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তখন সেটি ১৬ কোটি ২০লক্ষ ভারতীয়দের দ্বারা সমর্থিত হয়ে এই পৃথিবীর বৃহত্তম পরিবেশগত আন্দোলনে পরিণত হয়েছিল, যা পরবর্তীতে তীব্র কর্মযজ্ঞের রূপ নেয় যা অত্যন্ত সমর্পিত, ধারণাকে প্রমানিত করার প্রকল্প কাভেরি কলিং (Cauvery Calling)-এর দিকে পরিচালিত হয়। এখন, এটি একটি সচেতন গ্রহ তৈরি এবং মাটিকে বাঁচানোর জন্য একটি অভূতপূর্ব আন্দোলনে কোটি কোটি বিশ্ববাসীকে অন্তর্ভুক্ত করবে। পৃথিবীতে ৩০৫ কোটি মানুষের কাছে পৌঁছানোর সদগুরুর যে মূল উদ্দেশ্য তা তিন দশকের পরিশ্রম এবং বিবর্তনের ফসল।

এই আন্দোলনের বিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক নিঃসন্দেহে এটির অনুপ্রাণিত করার মতো মানুষের সংখ্যা ছিল। যদিও, সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ এর প্রভাবের ক্রমবর্ধমান মাত্রা। স্থানীয় সম্প্রদায়, সংস্থা, কৃষক, স্কুল এবং রাজ্য সরকার থেকে শুরু করে ভারতের জাতীয় নদী নীতি গঠনে সহায়তা করা এবং এখন পরিবেশ-প্রাসঙ্গিক কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থা, বিশ্ব নেতা এবং সরকারের সাথে কাজ করা - গত তিন দশকে আন্দোলনটির আকস্মিক অগ্রগতি ঘটেছে।

মাটিকে বাঁচান বা সেভ সয়েল আন্দোলনের অভূতপূর্ব প্রচেষ্টাটি হল সমগ্র গণতান্ত্রিক বিশ্বের নাগরিকদের একযোগে এক কণ্ঠে কথা বলার জন্য এবং পৃথিবীর স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যতের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারকে সুনিশ্চিত করা। যখন বাস্তু‌সংস্থানের বিষয়গুলি নির্বাচনী বিষয় হয়ে ওঠে, যখন জনগণের সমর্থন সরকারগুলিকে মাটির সুরক্ষার জন্য দীর্ঘমেয়াদী নীতি পরিবর্তনগুলি গ্রহণ করার ক্ষমতা দেয়, যখন ব্যবসা, সংস্থা, ব্যক্তি এবং সরকার মাটির স্বাস্থ্যকে একটি প্রাথমিক অগ্রাধিকার দেয় – তখনই এই টেকসই প্রচেষ্টাটি ফলপ্রুসূ হয়ে ওঠে৷

এটি গ্রীনহেডস থেকে গ্রিন হ্যান্ডস হয়ে গ্রিনহার্টস পর্যন্ত বিস্তৃত একটি যাত্রাপথ। তাহলে মাটিকে বাঁচাবে কে? আমদের প্রত্যেকেই।

আসুন একে সম্ভব করে তুলি!

আসুন একে সম্ভব করে তুলি!

এখনই পদক্ষেপ নিন
footerLogo

মাটি

© ২০২২ কনশাস প্ল্যানেট - সর্বাধিকার সংরক্ষিত

গোপনীয়তা নীতি

নিয়ম ও শর্তাবলী